বাক্যহীন মনুষ্যের মধ্যে বৃহৎ প্রকৃতির মতো একটা বিজন মহত্ত্ব আছে – সুভা গল্পের লেখকের এই উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।

প্রশ্নোক্ত উক্তিটির মধ্য দিয়ে লেখক ভাষাহীন মানুষের মনোজগতের প্রতি ইঙ্গিত করেছেন।নির্জন প্রকৃতির মধ্যেও যেমন ভাষা থাকে, বাকপ্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রেও তাই। কথা বলতে না পারলেও আকারে-ইঙ্গিতে নানাভাবে তারা তাদের মনের ভাব প্রকাশ করে। শুধু তা-ই নয়, বাইরের জগতের সঙ্গে তেমনভাবে মিশতে পারে না বলে আপন মনেই ভাবনাগুলোকে তারা নিজের মতো করে সাজায়। এভাবে চিন্তালোকে তারা গড়ে তোলে … Read more

প্রতাপের প্রতি তার মা-বাবার নিরাশ হবার কারণ বুঝিয়ে লিখ।

প্রতাপ নিতান্ত অকর্মণ্য বলে তার মা-বাবা নিরাশ ছিল।প্রতাপ ছিল মা-বাবার অকর্মণ্য ছেলে। অনেক চেষ্টা করেও তাকে দিয়ে সংসারের উন্নতি হয় এমন কোনো কাজ করানো সম্ভব হয়নি। সে ছিল নিতান্ত অলস। কেবল সময় কাটানোর জন্য সে অপরাহ্ণে নদীতীরে ছিল ফেলে মাছ ধরত। এসব কারণে তার মা-বাবা তার প্রতি নিরাশ ছিল।

সুভা শষ্পশয্যায় লুটিয়ে পড়ল কেন?

চিরচেনা প্রকৃতি ছেড়ে কলকাতায় চলে যাওয়ার বেদনা প্রকৃতির সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য সুভা শষ্পশয্যায় লুটিয়ে পড়ল।সুভা বাকপ্রতিবন্ধী। সুভার অনুভূতি প্রকৃতভাবে অনুধাবন করতে পারে শুধু প্রকৃতি। এই জন্য এই প্রকৃতি সুভার মা, আপনজন। সুভার অমতে তার বাবা-মা কলকাতায় বিবাহ ঠিক করে। ফলে সুভাকে এই মাতৃরূপ প্রকৃতি ছেড়ে শহরে চলে যেতে হবে। এই কথা ভাবতে সুভার … Read more

সুভার পিতা চিন্তিত হয়ে পড়লেন কেন?

বাকপ্রতিবন্ধী সুভা বিবাহযোগ্য হয়ে ওঠায় তার বিয়ে নিয়ে পিতা-মাতা চিন্তিত হয়ে পড়লেন।সুভা গল্পে সুভা কথা বলতে পারে না। এ নিয়ে সকলের মনে দুশ্চিন্তা ছিল। তার ওপর সুভার বয়সও বেড়ে যাচ্ছে। তাই বাকপ্রতিবন্ধী মেয়েকে কোথায় বিয়ে দেবেন তাই নিয়ে পিতা-মাতা শঙ্কিত হয়ে ওঠেন। এ ছাড়া বিয়ের বয়স হলেও বিয়ে দিচ্ছে না বলে গ্রামের লোকজন নিন্দা শুরু … Read more

প্রকৃতি যেন তাহার ভাষার অভাব পূরণ করিয়া দেয় – ব্যাখ্যা করো

প্রকৃতির সঙ্গে সুভার গভীর সম্পর্কের বিষয়টিই উন্মোচিত হয়েছে আলোচ্য মন্তব্যে।সুভা নদীর তীরে বসলে নদীর কলধ্বনি, লোকের কোলাহল, মাঝির গান, পাখির ডাক, তরুর মর্মর – সমস্ত মিলেমিশে একাকার হয়ে যেত। এগুলো যেন তার হয়ে কথা বলত। প্রকৃতির এই বিবিধ শব্দ এবং বিচিত্র গতিও সুভার ভাষার মতো নীরব অথচ বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত। আর তাই লেখক বলেছেন, ‘প্রকৃতি যেন … Read more

আমি তোমার কাছে কী দোষ করেছিলাম? উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

প্রিয় মানুষের কাছ থেকে বিদায়ের বেদনা বোঝাতে সুভার অব্যক্ত চাহনিতে উক্তিটি প্রকার পায়।বাকপ্রতিবন্ধী সুভা নিজের মতো করে দুঃখ-বেদনা অনুভব করে। একদিন সে আপন পরিবেশ ছেড়ে কলকাতায় যাওয়ার জন্য তৈরি হয়। এসময় তার পছন্দের মানুষ প্রতাপ তাকে বিদায় জানাতে গেল সুভার চাহনিতে যেন তীব্র অভিমান প্রকাশ পায়। আলোচ্য উক্তিটিতে সুভার সেই অভিমানের ভাষাই প্রকাশ পেয়েছে।

একে তো বরের হাট মহার্ঘ, তাহার পরে ধনুক ভাঙা পণ – এই কথার অর্থ বুঝিয়ে লেখ।

পনেরো বছর বয়সেও কল্যাণীর বিয়ে না হওয়ার কারণ নির্দেশ করা হয়েছে উক্তিটির মাধ্যমে।কল্যাণীর বয়স পনেরো যা তৎকালীন সমাজব্যবস্থায় বিয়ের যোগ্য কন্যার জন্য অনেকটাই বেশি। মোটা টাকা পণ দিতে হয় বলে সুপাত্র মেলাই ভার। তবে এ ব্যাপারে কল্যাণীর বাবা চিন্তিত নয়। বয়স যতই হোক উপযুক্ত পাত্র ছাড়া কন্যার বিয়ে না দিতে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তখনকার সমাজে কন্যার … Read more

সে ভাষাবিশিষ্ট জীব – কার সম্পর্কে এবং কোন প্রসঙ্গে এ কথা বলা হয়েছে?

প্রশ্নোক্ত কথাটি প্রতাপ সম্পর্কে, যা তার কথা বলার যোগ্যতা প্রসঙ্গে বলা হয়েছে।‘সুভা’ গল্পে বাকপ্রতিবন্ধী সুভা কল্পনায় অন্যদের সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলে। পশু-পাখি তথা অবলা প্রাণীদের সাথেই তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। এর বাইরে শুধু প্রতাপের সাথে তার ভালো লাগার সম্পর্ক আছে। কিন্তু প্রতাপ সুভার অন্য সঙ্গীদের চাইতে আলাদা। কেননা, সে কথা বলতে পারে। প্রতাপের এই বিশেষ দিকটির … Read more

error: Content is protected !!