সুতরাং উভয়ের মধ্যে সমভাষা ছিল না – বুঝিয়ে লেখো

প্রতাপ কথা বলতে পারলেও সুভা কথা বলতে পারত না সুতরাং উভয়ের মধ্যে সমভাষা ছিল না।‘সুভা’ গল্পের সুভা একজন বাকপ্রতিবন্ধী। কথা বলতে না পারায় তার কোনো বন্ধু ছিল না। বাড়ির জীবজন্তুর সাথে ছিল তার দারুণ সখ্য। তবে উন্নত শ্রেণির জীবের মধ্যে সুভার একজন সঙ্গী ছিল। সুভার এই সঙ্গী হলো প্রতাপ। যে কথা বলতে পারত। কিন্তু সুভা … Read more

আমাকে সবাই ভুলিলে বাঁচি – সুভার এরূপ মনোভাবের কারণ কী?

বাকপ্রতিবন্ধী হওয়ার কারণে সুভা প্রশ্নোক্ত মনোভাব পোষণ করত। বাবা-মায়ের ছোটো মেয়ে সুভা জন্ম থেকেই কথা বলতে পারে না। নিজের এমন অপূর্ণতায় সুভা নিজেকে অসহায় মনে করত। সে সাধারণের দৃষ্টিপথ হতে নিজেকে সর্বদা গোপন করে রাখত। বাকপ্রতিবন্ধী হওয়াটাকে সে অভিশাপ মনে করত। তাকে সবাই ভুলে গেলেই সে যেন স্বস্তি পেত।

সুভা কলকাতায় যেতে চায় না কেন?

পরিচিত পরিবেশের প্রতি প্রবল মায়া অনুভব করায় সুভা কলকাতায় যেতে চায় না।বাকপ্রতিবন্ধী সুভার মাঝে তার বাড়ির প্রতি রয়েছে গভীর মমত্ববোধ। বাড়ির চারপাশের প্রকৃতির সাথে সে করে নিয়েছে মিতালি। বোবা হওয়ার কারণে তার তেমন কোনো বন্ধু নেই। গোয়ালের দুটি গাভি, ছাগল, বিড়ালছানা আর মানবসমাজের অন্তর্ভুক্ত প্রতাপ তার নিত্য সহচর। এদের ছেড়ে কলকাতার অনিশ্চয়তায় ভরা জীবনকে মেনে … Read more

প্রতাপকে নিতান্ত অকর্মণ্য লোক কেন বলা হয়েছে?

প্রতাপ কাজকর্ম করে সংসারের উন্নতির কোনো চেষ্টা করছে না বলে তাকে নিতান্ত অকর্মণ্য লোক বলা হয়েছে।‘সুভা’ গল্পে গোঁসাইদের ছোটো ছেলে প্রতাপ। সংসারের কাজে তার মন নেই। অকর্মণ্য লোক বলে অনাত্মীয়রা তাকে দিয়ে নানা ধরনের কাজ করিয়ে নেয়। অলস সময়ে সে নদীতে ছিপ ফেলে মাছ ধরে। কাজকর্ম করে সংসারের উন্নতির চেষ্টা করে না বলে প্রতাপকে নিতান্ত … Read more

সুভা মনে মনে বিধাতার কাছে অলৌকিক ক্ষমতা প্রার্থনা করত কেন?

প্রতাপকে অভিভূত করার জন্য সুভা মনে মনে বিধাতার কাছে অলৌকিক ক্ষমতা প্রার্থনা করত।সুভা মনে মনে প্রতাপকে ভালোবাসত। তাই প্রতাপ যখন নদীর তীরে বসে মাছ ধরত, তখন সুভা তার পাশে বসে ভাবত সে যদি প্রতাপের কোনো কাজে বা সাহায্যে আসতে পারত। কিন্তু তার কিছুই করার ছিল না। তাই সে বিধাতার কাছে অলৌকিক ক্ষমতা প্রার্থনা করত – … Read more

অকর্মণ্য লোকের উপর আত্মীয়রা বিরক্ত হলেও তারা নিঃসম্পর্ক লোকদের প্রিয়পাত্র হয় কেন?

অকর্মণ্য লোকের উপর আত্মীয়রা বিরক্ত হলেও কর্মহীন হওয়ায় নিঃসম্পর্ক মানুষের নানা উপকারে আসে বলে তারা তাদের প্রিয়পাত্র হয়ে ওঠে।অকর্মণ্য লোকেরা সংসারে উন্নতির জন্য কোনো কাজ করে না বলে আত্মীয়রা তাদের উপর বিরক্ত থাকে। কিন্তু এই অকর্মণ্য লোকেরাই আবার নিঃসম্পর্ক মানুষের প্রিয়পাত্র হয়ে ওঠে। কারণ, বিশেষ কোনো কাজে আবদ্ধ না থাকায় তাদের হাতে অনেক সময় থাকে। … Read more

সুভা গল্পে গ্রামলক্ষী স্রোতঃস্বিনী কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

সুভা গল্পে গ্রামলক্ষী স্রোতঃস্বিনী বলতে গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে চলা নদীটির মাহাত্ম্য বোঝানো হয়েছে।আলোচ্য গল্পে বর্ণিত গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে ছোটো একটি নদী। আপন খেয়ালে অবিরামভাবে বয়ে চলেছে সে। চলার পথে দুধারে সৃষ্টি করেছে শ্যামলিমা ও সমৃদ্ধি। গ্রামটি যেন এ নদীর আশীর্বাদপুষ্ট। নদীটিকে তাই সৌভাগ্যের দেবী লক্ষ্মীর সঙ্গে তুলনা করেছে।

মা সুভাষিণীকে নিজের ত্রুটিস্বরূপ দেখতেন কেন?

সুভা বাকপ্রতিবন্ধী বলে মা সুভাষিণীকে নিজের ত্রুটিস্বরূপ দেখতেন। মায়েরা পুত্র অপেক্ষা কন্যাকে নিজের অংশরূপে দেখেন। তাই কন্যার কোনো অপূর্ণতা দেখলে সেটাকে বিশেষরূপে নিজের কলঙ্ক বলে মনে করেন তারা। সুভা গল্পের সুভার মা ও প্রতিবন্ধী কন্যাকে নিজের গর্ভের কলঙ্ক হিসেবে জ্ঞান করেন।তাই সুভা যেন তার মায়ের ত্রুটিরই স্বাক্ষর।

error: Content is protected !!